Martyred Intellectuals | কবি মেহেরুন্নেসা
767
page-template,page-template-full_width,page-template-full_width-php,page,page-id-767,page-child,parent-pageid-646,ajax_fade,page_not_loaded,,select-theme-ver-4.6,wpb-js-composer js-comp-ver-5.5.5,vc_responsive

কবি মেহেরুন্নেসা

জন্ম – ২০ আগস্ট, ১৯৪২

“একটি বিক্ষুব্ধ চেতনার নাম, কবি মেহেরুন্নেসা”

কবি মেহেরুন্নেসা একটি সংগ্রামী নাম। পরিবারের অভাব মেটাতে গিয়ে মেহেরুন্নেসার খুব বেশিদূর পড়াশোনা করা হয়ে ওঠেনি। পারিবারিক প্রয়োজনে তাঁকে পড়াশোনা ছেড়ে অর্থের সংস্থানে কাজে নামতে হয়। অবাঙালি অধ্যুষিত মিরপুরের উদ্বাস্তু কলোনিতে ছিল তাঁর আবাস।

প্রচুর লেখালেখি করতেন মেহেরুন্নেসা। ষাটের থেকে সত্তরের দশকে প্রায় সব পত্রিকায় নিয়মিত ছাপা হতো তাঁর কবিতা। বাংলা একাডেমী এবং রেডিও পাকিস্তানে তিনি কাজ করতেন। নানা বাধা-বিপত্তির মধ্যেও কবিতা লিখতেন এবং সাহিত্যিক মহলে পরিচিতি অর্জন করেন। ‘সূর্য জ্যোতির পাখি’ তাঁর রচিত কবিতার পান্ডুলিপি। মেহেরুন্নেসা উনসত্তরের গণ-আন্দোলনে, সত্তরের মিছিলে, একাত্তরের অসহযোগে আগুনের শিখা হয়ে জ্বলেছেন। উনসত্তরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে মেহেরুন্নেসা পড়েছিলেন তাঁর সেই অবিনাশী কবিতা—‘প্রভু নয় বন্ধু কে’।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নারীর ওপর যে নিষ্ঠুরতম ও নারকীয় হত্যাযজ্ঞ হয় তার শিকার হন কবি মেহেরুন্নেসা। বৃদ্ধা মায়ের সামনে নরপিশাচরা তাকে আর তাঁর প্রাণপ্রিয় দুই ভাইকে নির্মম ভাবে হত্যা করেন। মেহেরুন্নেসা শহীদ হয়েছেন। কিন্তু হারিয়ে যাননি। তিনি আছেন সংগ্রামী সকল কবিতায়, তিনি থাকবেন প্রতিবাদী সব স্লোগানে।