Martyred Intellectuals | এ কে এম ফারুক
856
page-template,page-template-full_width,page-template-full_width-php,page,page-id-856,page-child,parent-pageid-646,ajax_fade,page_not_loaded,,select-theme-ver-4.6,wpb-js-composer js-comp-ver-5.5.5,vc_responsive

এ কে এম ফারুক

জন্ম – ১৯৪৪

“ভালো থেকো, আমরা ভালো”

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর পৌরসভার অন্তর্গত বসন্তপুর গ্রামে জন্ম নেয়া এ কে এম ফারুক ম্যাট্রিক পাশ করেন স্থানীয় স্কুল থেকে। সেখানকার গুরুদয়াল কলেজ থেকে আই.এ এবং বি.এ পাশ করেন। তারপর তিনি ভর্তি হন রাজশাহী মেডিকেল কলেজে।

১৯৬৯ সালে এমবিবিএস পাশ করে যোগ দেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মেডিকেল কোরে-এ (এএমসি)। কলেজ ছাত্র থাকাকালে প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত না থাকলেও রাজনীতিসচেতন ছিলেন তিনি। এ কে এম ফারুক একাত্তরে কর্মরত ছিলেন কুমিল্লা (ময়নামতি) সেনানিবাসের ৪০ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সে। ২৫ মার্চের পর থেকে সুযোগ খুঁজছিলেন যুদ্ধে যোগ দেওয়ার। কিন্তু সে সুযোগ তাঁর আর হয়নি।

যুদ্ধের সময় ময়নামতি ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে প্রিয়তমা স্ত্রী ও ৬ মাসের সন্তানের সামনে থেকে তাঁকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর শেষ কথাটা ছিলো প্রিয়তমা স্ত্রীর কাছে। সেদিন সকালেই ফোনে বলেছিলেন, “ভালো থেকো, আমরা ভালো”। ঐদিনই বিকাল ৪টায় তাঁকে হত্যা করা হয়। দিনটি ছিলো ৩০শে মার্চ। দেশমাতৃকার স্বাধীনতার প্রয়োজনে দেশ হারায় আরেকজন মেধাবী সন্তানকে।